ঈশানবালায় প্রতিপক্ষের হামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ আহত ৬

হাইমচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সংঘর্ষ, সংঘাত, সহিংসতা দিন দিন বেড়েই চলছে। আর এ সংঘর্ষ হচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নিজ দলের মধ্যেই। সোমবার তেলিরমোড় এলাকায় দুই গ্রুপে সংঘর্ষের পর গতকাল হয়েছে ঈশানবালা এলাকায়। ঈশানবালায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থীর সমর্থকদের অতর্কিত হামলায় ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন সরদারসহ ৬ জন আহত হয়েছে। গতকাল ২৪ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ঈশানবালার তিরাশিকান্দিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন : স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন সরদার (৪১), জয়নাল সরদার (৫৫), এনায়েত সরদার (৫২), সাইফুল সরদার (৪৫), দিদার সরদার (২৬) ও মান্নান সরদার (৪৫)। আহতদের চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মিজানুর রহমান জানান, জয়নাল সরদারের হেড ইনজুরি রয়েছে এবং বাম পা ভেঙ্গে গেছে। অপরদিকে এনায়েত সরদারের মাথায় আঘাত ও ডান হাতে মারাত্মক আঘাত রয়েছে। এ দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। আহতরা সবাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নূর হোসেন পাটওয়ারীর সমর্থক ও নেতা-কর্মী।

আহত ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরদার জানান, সকালে নৌকার ভোট চাইতে গেলে বিদ্রোহী প্রার্থী মোতালেব জমাদারের আনারস মার্কার সমর্থকরা পেছন থেকে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমিসহ আমাদের অনেক কর্মী-সমর্থক আহত হয়। এ ঘটনায় সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ঘটনার আগের দিন সোমবার বিকেলে হাইমচর আলগীবাজারের তেলিরমোড়ে নৌকার সমর্থকদের হামলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (বহিষ্কৃত) মোতালেব জমাদারসহ ৮ জন আহত হয়। পরে এ ঘটনার জের ধরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাঝে সংঘর্ষে আরো কজন আহত হয়। এ সংঘাতের ঘটনায় গুরুতর আহত বিদ্রোহী প্রার্থী মোতালেব জমাদারসহ ৩ জনকে চিকিৎসার জন্যে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। তবে মামলা করার জন্যে উভয় পক্ষ প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা যায়।

Related posts