সাত সকালে সড়কে ঝরল ৬ প্রাণ

ফরিদপুর সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের মল্লিকপুর এলাকায় বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা–মেয়ে আর পুলিশের এক কর্মকর্তাসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মাইক্রোবাসটি বোয়ালমারী থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। মামুন পরিবহনের বাসটি যাচ্ছিল ঢাকা থেকে মাগুরায়। মল্লিকপুর এলাকায় গাড়ি দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

দুর্ঘটনায় নিহত ছয়জনই মাইক্রোবাসের যাত্রী। আহত একজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফরিদপুর, ৬ জানুয়ারি। ছবি: আলীমুজ্জামানসোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফরিদপুর, ৬ জানুয়ারি। ছবি: আলীমুজ্জামাননিহত চারজন একই পরিবারের সদস্য। তাঁরা হলেন, ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ছোলনা মহল্লার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম (৩২), তাঁর মেয়ে তাবাসসুম (৯), শ্যালিকা আতিয়া (১৪) ও ভাগনি তনজু। নিহত পুলিশ কর্মকর্তার নাম ফারুক। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে তিনি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে ঢাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বাড়ি আলফাডাঙ্গায়। এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ওই মাইক্রোবাসের চালক নাহিদ। তাঁর বাড়ি নড়াইলে।

বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত মাইক্রো। ফরিদপুর, ৬ জানুয়ারি। ছবি: আলীমুজ্জামানবাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত মাইক্রো। ফরিদপুর, ৬ জানুয়ারি। ছবি: আলীমুজ্জামানদুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন শরিফুল ইসলামের স্ত্রী রাবি বেগম। তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তিরা মাইক্রোবাসের আরোহী ছিলেন। ফরিদপুর, ৬ জানুয়ারি। ছবি: আলীমুজ্জামানসংঘর্ষে নিহত ব্যক্তিরা মাইক্রোবাসের আরোহী ছিলেন। ফরিদপুর, ৬ জানুয়ারি। ছবি: আলীমুজ্জামানফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার পর বাসের চালক পালিয়ে গেছেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসের কোনো যাত্রীর সন্ধান মেলেনি। তিনি বলেন, বাসটিতে কোনো যাত্রী ছিল না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Related posts