বাংলা একাডেমী পুরস্কার গ্রহণ করলেন মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে বাংলা একাডেমী পুরস্কার ২০১৯ গ্রহণ করেছেন চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার সাংসদ মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। ‘মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে’র জন্যে তাঁকে এই পুরস্কার দেয়া হয়।

এদিন বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমসহ ১০ জনের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ২০১৯ সালের জন্যে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন ১০ জন কবি ও লেখক।

এবারে কবিতায় মাকিদ হায়দার, কথাসাহিত্যে ওয়াসি আহমেদ, প্রবন্ধ ও গবেষণায় স্বরোচিষ সরকার, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, অনুবাদে খায়রুল আলম সবুজ, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণে ফারুক মঈনউদ্দীন, বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞানে নাদিরা মজুমদার, নাটকে রতন সিদ্দিকী, শিশুসাহিত্যে রহীম শাহ এবং ফোকলোরে সাইমন জাকারিয়াকে পুরস্কৃত করা হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি ও লেখকদের হাতে তিন লাখ টাকা, সনদ ও স্মারক তুলে দেয়া হয়। ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, সচিব মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) সভাপতি আরিফ হোসেন ছোটন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবিবুল্লাহ্ সিরাজী।

উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপির রচিত ‘এ টেল অব মিলিয়নস্’ বইটি ১৯৭৪ সালে এবং বইটির বাংলা অনুবাদ ‘লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’ ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার করুণ ও বেদনাময় কাহিনী নিয়ে রচিত তাঁর আরেকটি বইয়ের মধ্যে একটি ‘মুক্তির সোপানতলে’ প্রকাশিত হয় ২০০১ সালের জুলাই মাসে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধের উপর বহু নিবন্ধ লিখেছেন মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টরের এ কমান্ডার। এছাড়াও দেশ-বিদেশের বহু টেলিভিশনে মুক্তিযুদ্ধের উপর সাক্ষাৎকারে অংশ নেন সাবেক এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Related posts