চাঁদপুরে ঘরে ঘরে জ্বর ঠাণ্ডা ও কাশির প্রকোপ

ঋতু পরিবর্তনের সময় বাতাসে আর্দ্রতার ওঠা-নামায় এখন চাঁদপুরে ঘরে ঘরে জ্বর ঠান্ডা ও কাশির প্রকোপ। এগুলো বেশির ভাগই ভাইরাসজনিত জ্বর। তাই দ্রুত একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়।

পরিবারের একজনের হলে রক্ষা পায় না অন্যরাও। এই জ্বর বড় বড় জটিলতায় না ফেললেও ভোগায় বেশ। শিশু ও বয়স্কদের জটিলতা বেশি দেখা যায়। জনসচেতনতার মাত্রা বাড়ানো খুবই জরুরি। আড়াইশ শয্যার চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দুইশ শিশু কেবল আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ভর্তি রয়েছে ওয়ার্ডে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ শিশু। হাসপাতালের টিকেট কাউন্টারে আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনদের ব্যাপক ভিড় সরজমিনে দেখা গেছে।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ আঃ আজিজ বলেন, জলবায়ুর প্রভাব, আবহাওয়ার বিরূপ আচরণ ও মানুষের রোগ প্রতিরোধমূলক অসচেতনতার কারণে মৌসুমী রোগের প্রকোপ বাড়ছে। চলতি মওসুমে ১১ হাজারেরও বেশি শিশু রোগী দেখা হয়েছে। মওসুমি জ্বর ঠাণ্ডা ও কাশ আক্রান্তের রোগী এখন বেশি। সাথে ডায়েরিয়া ও শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগীও আসছে। তবে ভাইরাস জ্বর হলে দুশ্চিন্তার কারণ নেই বলে জানান তিনি।

এ জ্বরের জন্যে কোনো অ্যান্টিবায়োটিকের দরকার নেই। জ্বরের জন্যে তিন বেলা প্যারাসিটামল খেলেই হয়। তবে সপ্তাহ খানেকের বেশি সময় ধরে জ্বর থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

তবে এ চিকিৎসকের মতে, মানুষ হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কাছে আসে রোগ জটিল হয়ে ওঠার পরে। অথচ এ ধরনের রোগগুলো প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার আওতায় আনা গেলে সবদিক থেকেই মানুষের সুরক্ষা মেলে। ভোগান্তিও কমে যায়।

Related posts