ভোটযুদ্ধে নেমে গেলেন নৌকার প্রার্থী জুয়েল

২৯মার্চ চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। গতকাল সোমবার এ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক দেয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ হেলাল উদ্দিনের কার্যালয়ে এ প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। রিটার্নিং অফিসার নিজে প্রতীক বরাদ্দ দেন।

এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী অ্যাডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েলের প্রতীক আগ থেকেই দলীয় প্রতীক হিসেবে নৌকা বরাদ্দ থাকলেও ইসির নিয়ম অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের যে নির্ধারিত দিন রয়েছে, তার আগে মার্কা নিয়ে প্রচারণা চালানো যাবে না। সে জন্যে দল মনোনীত প্রার্থীরা তাদের প্রতীক আগ থেকে জানা থাকলেও ইসির তফসিল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের দিন থেকেই তারা প্রচারণায় নেমে যান। গতকাল সোমবার জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নেমে পড়েন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী অ্যাডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল। তিনি ঐতিহ্য, বাণিজ্য, পর্যটন সমৃদ্ধ এবং নান্দনিক চাঁদপুর শহর গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এই নির্বাচনী যুদ্ধে মাঠে নামেন। গতকাল তিনি চাঁদপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন এলাকা ও পাড়া মহল্লায় ভোটার এবং জনগণের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং নৌকা মার্কায় ভোট চান।

অত্যন্ত বিনয়ী এবং সদা হাস্যোজ্জ্বল জিল্লুর রহমান জুয়েল তারুণ্যের অহঙ্কার ও প্রতীক হয়ে আছেন তরুণদের মাঝে। যা ইতোমধ্যে তরুণরা সে প্রমাণ দিয়েছে। তাদের ভালোবাসায় সিক্ত জিল্লুর রহমান জুয়েল। দেখা গেছে যে, তিনি যেখানেই যান, সেখানেই তরুণ, যুবক ও বয়োবৃদ্ধসহ সকল বয়সী নারী-পুরুষ তাকে আন্তরিকভাবে অভিবাদন জানায়। অনেকে তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন, আবার অনেকে তাকে মিষ্টিমুখও করান। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জুয়েলের প্রতি বেশ অনুরক্ত দেখা গেছে।

জিল্লুর রহমান জুয়েলের নির্বাচনী নানা শ্লোগানের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে : ব্যবসা বাণিজ্যে চাঁদপুরের যে ঐতিহ্য ছিলো তা ফিরিয়ে আনা এবং পর্যটন শহর হিসেবে চাঁদপুরকে নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলা। সর্বোপরি চাঁদপুর শহরকে চাঁদের মতো আলোকিত ও পরিচ্ছন্ন করে রাখা হচ্ছে তাঁর নির্বাচনী প্রধানতম অঙ্গীকার। পাশাপাশি পৌরবাসীর যেসব মৌলিক চাহিদা রয়েছে, তা পূরণে তিনি দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ।

Related posts