ঢাকা, বুধবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মালেয়শিয়ায় ডিটেনশন ক্যাম্পে বাংলাদেশিসহ ১০৫ জনের মৃত্যু

ডিটেনশনে থাকা বন্দিদের অনেক সময় স্থায়ী মানসিক সমস্যা হয়

প্রবাস ডেস্ক:

মালয়েশিয়ায় ডিটেনশন ক্যাম্পে ১০৫ জন বিদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। দেশটির অভিবাসন বিভাগের রেকর্ড অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত অভিবাসন আটক কেন্দ্র, পুলিশ লকআপ এবং কারাগারে বন্দি অবস্থায় এসব বিদেশির মৃত্যু হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি হামজা জয়নুদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মারা গেছেন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক। তারপরে ভারত, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, নাইজেরিয়া এবং ভিয়েতনামের নাগরিক রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন তিন জন বাংলাদেশি।

মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন কারণে অবৈধ হয়ে আটক এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে সাজা ভোগ করছেন প্রায় ১৬৭৮ জন বাংলাদেশি। অনেকে সাজা শেষে বিভিন্ন ডিটেনশন ক্যাম্পে দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে বন্দির সংখ্যা দুই হাজারের বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাতের কোনো সুযোগ নেই। যতদিন বন্দি থাকবে ততদিন বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে তাদের যোগাযোগ করার কোনো সুযোগ থাকে না। ভেতরে বন্দিদের সঙ্গে আসলে কি হচ্ছে তা বাইরে এসে কেউ প্রকাশ করতে চান না।

সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অনেকে নানা জটিলতায় নিজ দেশে ফেরত যেতে পারছেন না। পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণের অভাব, মেয়াদহীন পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট করার অর্থ না থাকা, দূতাবাস থেকে ডকুমেন্ট পাঠাতে বিলম্ব এসব কারণে নিজ দেশে ফিরতে জটিলতায় পড়েন অনেকে। তাছাড়া অনেকের সঙ্গে কোনো ডকুমেন্টই থাকে না। এসব ক্ষেত্রে দীর্ঘ জটিলতার মুখে পড়তে হয়।

অবৈধ হয়ে কিংবা অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক হলে প্রথমে তাদের ১৪ দিনের রিমান্ডে রাখা হয়।  তারপর ১৪ দিন শেষে আদালতে হাজির করে সাজা ঘোষণা করার পর জেলখানায় সাজা ভোগ করতে হয়। জেলখানার সাজা শেষ হলেই ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। তারপর অনির্দিষ্ট সময় দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকতে হয়।

সর্বশেষ - প্রথমপাতাপ্রবাস

জনপ্রিয় - প্রথমপাতাপ্রবাস